মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

১. পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম(আরএসএস);

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক  নির্বাচিত গ্রামে ইউনিয়ন সমাজকর্মী/কারিগরি প্রশিক্ষক কর্তৃক পরিবার জরিপ সম্পন্নকরণপূর্বক  ক ও খ  গ্রুপভুক্ত পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে কর্মদল গঠন ও প্রশিক্ষণ প্রদানের পর প্রত্যেক দলীয় সদস্যকে ২০ টি সামাজিক কার্যক্রম অবহিতপূর্বক অভ্যস্ত করানো হয়। অতঃপর গ্রাম কমিটি বা কর্মদল হতে প্রস্তাবিত ঋণ প্রার্থীদের আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক আবেদনপত্রসহ খসড়া তালিকা সংশ্লিষ্ট সমাজকর্মী/কারিগরি প্রশিক্ষক দাখিল করেন এবং আদায়কৃত সঞ্চয় প্রকল্প গ্রাম বা কর্মদলের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। প্রস্ত্ততকৃত খসড়া তালিকা, আবেদনপত্র, স্কিম ফিল্ডসুপারভাইজার কর্তৃক পরীক্ষান্তে সুপারিশসহ উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের নিকট দাখিল করেন। অতঃপর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ইউপিআইসির সভার আয়োজন করে ঋণ অনুমোদন করেন। অবশেষে নির্বাচিত ঋণ গ্রহীতাদের মাঝে ঋণের চেক/নগদ টাকা বিতরণের স্থান, তারিখ নির্ধারণ করে তাদের অবহিতপূর্বক ঋণ বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। 

নাগরিকদের সহযোগিতার ক্ষেত্র:

  • সুবিধাভোগী কর্তৃক ঋণ প্রাপ্তির পর ২য় মাস হতে সমান ১০ কিস্তিতে অথবা স্কীম ভেদে ১, ২ বা ৩ কিস্তিতে ঋণের অর্থ শতকরা ১০ ভাগ সার্ভিসচার্জসহ ফেরত দেয়া;
  • একজন ঋণগ্রহীতা প্রয়োজনে সর্বাধিক তিনবার ঋণ গ্রহণ না করা;
  • দলীয় সদস্য কর্তৃক নিয়মিত নির্ধারিত হারে সঞ্চয় করা;
  • কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্যদের যে সকল বিষয়ে সচেতন করা হয় তা মেনে চলা;
  • কোন সুবিধাভোগী প্রাপ্ত ঋণের অর্থ নিয়মমত পরিশোধ না করলে তা আদায়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করা;
  • সঠিক গ্রাম/মহল্লা ও উপযুক্ত ঋণ গ্রহীতা নির্বাচনে কর্তৃপক্ষকে তথ্য সরবরাহ ও সহযোগিতা;
  • ঋণ প্রদানে কোন অসচ্ছতা পরিলক্ষিত হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট অবহিত করা।

প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/আনুষঙ্গিক খরচ:

  • বিনামূল্যে

সেবা প্রদানের সময়সীমা:

  • গ্রাম/মহল্লা নির্বাচনের পর ১ম বার ঋণ প্রদান ১ মাস;
  • পুনবিনিয়োগ/২য়/৩য় পর্যায়ের ঋণ প্রদান, আবেদনের পর ২০ দিন।

২. পল্লী মাতৃকেন্দ্র (আরএমসি);

নাগরিকগণের সহযোগিতার ক্ষেত্র:

  • সুবিধাভোগী কর্তৃক ঋণ প্রাপ্তির পর ২য় মাস হতে সমান ১০ কিস্তিতে অথবা স্কীম ভেদে ১, ২ বা ৩ কিস্তিতে ঋণের অর্থ শতকরা ১০ ভাগ সার্ভিসচার্জসহ ফেরত দেয়া;
  • দলীয় সদস্য কর্তৃক নিয়মিত নির্ধারিত হারে সঞ্চয় করা;
  • কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্যদের যে সকল বিষয়ে সচেতন করা হয় তা মেনে চলা;
  • কোন সুবিধাভোগী প্রাপ্ত ঋণের অর্থ নিয়মমত পরিশোধ না করলে তা আদায়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করা;
  • সঠিক গ্রাম/মহল্লা ও উপযুক্ত ঋণ গ্রহীতা নির্বাচনে কর্তৃপক্ষকে তথ্য সরবরাহ ও সহযোগিতা;
  • ঋণ প্রদানে কোন অসচ্ছতা পরিলক্ষিত হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট অবহিত করা।

সেবা প্রদানের সময়সীমা:

  • গ্রাম/মহল্লা নির্বাচনের পর ১ম বার ঋণ প্রদান ১ মাস;
  • পুনবিনিয়োগ/২য়/৩য় পর্যায়ের ঋণ প্রদান, আবেদনের পর ২০ দিন।

৩. দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রম;

  • আবেদনকারীকে এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে;
  • লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠির অর্ন্তভুক্ত হতে হবে;
  • নাম অগ্রাধিকার তালিকা ভুক্ত হতে হবে;
  • প্রয়োজন উল্লেখ পূর্বক ঋণের আবেদন করতে হবে;
  • কার্যক্রম বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক যে সেবার জন্য আবেদন করেছে তা যুক্তিযুক্ত হলে স্ব স্ব এলাকায় বসে সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

নাগরিকদের সহযোগিতার ক্ষেত্র:

  • সুবিধাভোগী কর্তৃক ঋণ প্রাপ্তির পর তৃতীয় মাস হতে সমান ২০ কিস্তিতে অথবা স্কীম ভেদে ১, ২ বা ৩ কিস্তিতে ঋণের অর্থ শতকরা ৫ ভাগ সার্ভিসচার্জসহ ফেরত দেয়া;
  • দলীয় সদস্য কর্তৃক নিয়মিত নির্ধারিত হারে সঞ্চয় করা;
  • কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্যদের যে সকল বিষয়ে সচেতন করা হয় তা মেনে চলা;
  • কোন সুবিধাভোগী প্রাপ্ত ঋণের অর্থ নিয়মমত পরিশোধ না করলে তা আদায়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করা;
  • সঠিক গ্রাম/মহল্লা ও উপযুক্ত ঋণ গ্রহীতা নির্বাচনে কর্তৃপক্ষকে তথ্য সরবরাহ ও সহযোগিতা;
  • ঋণ প্রদানে কোন অসচ্ছতা পরিলক্ষিত হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট অবহিত করা।

সেবা প্রদানের সময়সীমা:

  • কার্যক্রম বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক উপযুক্ত ঋণ গ্রহীতা নির্বাচনের পর সর্বোচ্চ ১৫ কর্ম দিবস।

সেবা পাওয়ার জন্য যার সাথে যোগাযোগ করতে হবে:

  • উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, সকল উপজেলা;
  • সমাজসেবা অফিসার, সকল শহর সমাজসেবা কার্যালয়;
  • কমিটি ৩ মাস অমত্মর সবায় মিলিত হয়ে কর্মসূচীর সার্বিক বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনাপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমাজসেবা কর্মকর্তাকে পরামর্শ প্রদান করবে;
  • ঋণ গ্রহিতাদের আবেদনপত্রসমূহ পরীক্ষাপূর্বক ঋণ প্রদান সংক্রামত্ম বিষয়ে অনুমোদন প্রদান করবে;
  • কমিটি ঘূর্ণায়মান তহবিল বিনিয়োগ এবং আদায় সংক্রামত্ম পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে এবং উদ্ভুত সমস্যাবলী নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে;
  • কমিটির সদস্যগণ যৌথভাবে কিংবা এককভাবে কর্ম এলাকা পরিদর্শন পূর্বক কর্মসূচী সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ব্যাপারে সমাজসেবা কর্মকর্তা, কর্মী ও দলনেতা/নেত্রীর প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবে;
  • সভার কোরাম এর জন্য কমপক্ষে ৪ জন সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হবে।

৪. শহর সমাজসেবা কার্যক্রম (ইউসিডি);

ঋণ প্রাপ্যতার শর্তাবলী:

  • ঋণ গ্রহিতাকে দলীয় সদস্য হতে হবে;
  • ঋণ গ্রহিতাকে অবশ্যই ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত হতে হবে;
  • ঋণ গ্রহিতাকে দলীয় সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে হবে;
  • ঋণ গ্রহিতাকে দলের করণীয় কার্যাবলী সম্পাদন করতে হবে;
  • ঋণ গ্রহিতাকে নিয়মিতমাসিক সঞ্চয় করতে হবে;
  • মহিলা ও প্রতিবন্ধীদের ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

স্কীম নির্বাচন:

১. দলীয় সভায় আলোচনার মাধ্যমে সম্ভাব্য ঋণ গ্রহিতাগণ তাদের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাব্যতার নিরীখে আয়বর্ধকমূলক কাজের স্কীম নির্বাচন করবেন;

২. যথোপযুক্ত স্কীম গ্রহণে দলনেতা/দলনেত্রী ও সংশিস্নষ্ট পৌর সমাজকর্মী ঋণ গ্রহিতাকে পরামর্শ প্রদান করবেন;

৩. স্কীম নির্বাচনকালে প্রয়োজনে সংশিস্নষ্ট অন্যান্য সরকারি দপ্তর/অধিদপ্তরের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। অনুরূপ ক্ষেত্রে পৌর সমাজকর্মী সম্ভাব্য ঋণ গ্রহিতা ও সংশিস্নষ্ট দপ্তর ও অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করবেন।

স্কীম বাস্তবায়নে বিনিয়োগযোগ্য পুঁজির পরিমাণ:

১ একজন ঋণ গ্রহিতা প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ৩ বার ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন;

 

৫. সরকারী শিশু পরিবার;

১৮ বছর বয়স  অথবা এসএসসি পাশ পর্যন্ত এতিম শিশুদের প্রতিপালন

পারিবারিক পরিবেশে স্নেহ-ভালবাসা ও আদর-যত্নের সাথে লালন পালন

শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান

নিবাসীদের শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানবিক উৎকর্ষতা সাধন

পুনর্বাসন ও স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা
সেবা গ্রহীতা:

৫-৯ বছর বয়সী এতিম অর্থ্যাৎ পিতৃহীন বা পিতৃমতিৃহীন দরিদ্র শিশু।

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে):
নির্ধারিত ফরমে ৬-৯ বছরের এতিম শিশুর অভিভাবকরা আবেদনপত্র দাখিল করবেন। প্রাপ্ত আবেদনপত্রের খসড়া তালিকা প্রস্ত্ততপূর্বক তত্ত্বাবধায়ক/ঊপ-তত্ত্বাবধায়ক ভর্তি কমিটির সভা আহ্বান করেন। সভায় নিবাসী নির্বাচনপূর্বক আবেদনকারীকে অবহিত করার মাধ্যমে ভর্তি করে এতিম নিবাসী শিশুকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত ভরণ-পোষণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়।
কার্যাবলি:

প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে অভিভাবক কর্তৃক  নির্ধারিত ফর্মে সংশ্লিষ্ট শিশু পরিবারে অথবা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদন দাখিল;

সিভিল সার্জন বা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদকারী এতিম শিশুর বয়স ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা যাচাই;

ভর্তি কমিটি কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদন

বিনামূল্যে এতিম শিশু ভর্তি;

শিশুদের ভরণপোষণ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং উপযুক্ত মর্যাদায় সমাজে পুনর্বাসন
সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি/ নীতিমালা:
১. সরকারি শিশু সদন / শিশু পরিবার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০০২
২. শিশু আইন ২০১৩
নাগরিকদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্র:

শিশু পরিবার পরিচালনায় কোন ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা;

যাকাত, ফিতরা, দানসহ ইত্যাদি আর্থিক সহায়তা করা;

শিশুদের শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে যে কোন সহযোগিতা;

শিশুর পুনর্বাসনে আর্থিক ভাবে, চাকুরী প্রদান মাধ্যমে বা তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করা;

শিশুদের প্রতি সহমর্মি আচরণ করা;

শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে যে কোন ধরণের সহযোগিতা।
সেবা প্রদানের সময়সীমা:

শিশু পরিবারে ভর্তির জন্য আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর ১ মাস

শিশু ভর্তি হওয়ার পর অন্যান্য সেবা শিশুর বয়স ১৮ বছর হওয়া পর্যন্ত

বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ:
সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক/উপ-তত্ত্বাবধায়ক, সরকারি শিশু পরিবার;

 

৬.সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রম;

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে):

আগ্রহী অভিভাবকদের নির্ধারিত ফরমে রিসোর্স শিক্ষক/ উপ-পরিচালক বরাবর আবেদন দাখিল করতে হয়। সংশ্লিষ্ট রিসোর্স শিক্ষক প্রাপ্ত আবেদনপত্রের  তালিকা প্রস্ত্তত করে ভর্তি কমিটির সভার মাধ্যমে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী নির্বাচন করেন। অতঃপর  আবেদনকারীকে অবহিত করার মাধ্যমে ভর্তি সম্পন্ন করা হয়। ভর্তিকৃত শিশু নির্ধারিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্রেইল পদ্ধতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষা লাভ করে এবং রিসোর্স শিক্ষক পাঠদান তদারকি করেন। ভর্তিকৃত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীবৃন্দের জন্য আবাসন, খাদ্য এবং চিকিৎসা বিষয়ক সকল প্রকার ব্যয়ভার সমাজসেবা অধিদফতর থেকে নির্বাহ করা হয়।

কার্যাবলি:

  • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের অভিভাবক কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মে আবেদন;
  • ভর্তি কমিটি কর্তৃক আবেদন বাছাই ও চুড়ান্ত অনুমোদন;
  • ভর্তি কমিটি কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদন ও বিদ্যালয়ে ভর্তি।

প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/আনুষঙ্গিক খরচ:

  • বিনামূল্যে

প্রয়োজনীয় আইন বিধি:

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩

শিশু আইন ২০১৩

সেবা গ্রহীতা:

  • দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশু যাদের বয়স ৬ থেকে ১৬ বছর।

নাগরিকদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্র:

  • প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে শিশু ভর্তির জন্য নির্ধারিত ফরমে অভিবাবক কর্তৃক শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন;
  • কার্যক্রম পরিচালনায় কোন ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা;
  • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা;
  • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে যে কোন সহযোগিতা;
  • প্রিতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পুনর্বাসনে আর্থিক ভাবে, চাকুরী প্রদান মাধ্যমে বা তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করা;
  • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রতি সহমর্মি আচরণ করা;

সেবা প্রদানের সময়সীমা:

  • শিশু ভর্তি- আসন শূণ্য সাপেক্ষে আবেদন প্রাপ্তির পর সর্বোচ্চ ১ মাস
  • আবাসন ও ভরনপোষন-ভর্তির পর এস এস সি পরীক্ষা পর্যন্ত

যার সাথে যোগাযোগ করতে হবে:

  • রিসোর্স শিক্ষক/প্রধান শিক্ষক সংশ্লিষ্ট সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রম

 

৭. ক্যাপিটেশন গ্রান্ট প্রাপ্ত বেসরকারি এতিমখানা;

সেবা:

১৮ বছর বয়স পর্যন্ত এতিম শিশুদের প্রতিপালনের জন্য বেসরকারি এতিমখানায় আর্থিক অনুদান প্রদান;

স্নেহ-ভালবাসা ও আদর-যত্নের সাথে লালন পালন নিশ্চিতকরণ;

আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান নিশ্চিতকরণ;

শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানবিক উৎকর্ষতা সাধন নিশ্চিতকরণ;

শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে সহায়তা প্রদান;

পুনর্বাসন ও স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে):

বেসরকারি এতিমখানাটিকে সমাজসেবা অধিদফতরের নিবন্ধিত হতে হবে এবং এতিমখানাটিতে ন্যূনতম ১০ জন ৬-১৮ বছরের এতিম নিবাসী থাকতে হবে। ১০০% নিবাসী প্রাথমিক / মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত সাপেক্ষে শতকরা ৫০ ভাগ শিশু এ সেবার আওতায় আসবে।

নির্ধারিত ফরমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সচিব সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বরাবর ৩১ জুলাই এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কার্যালয়ে আবেদন দাখিল করতে হয় । ১০ আগষ্টের এর মধ্যে উপজেলা অফিস হতে জেলায় এবং ২৫ আগস্ট এর মধ্যে জেলা কার্যালয়  হতে অধিদফতরে বেসরকারি এতিমখানার তথ্য প্রেরণ নিশ্চিত করতে হয়। অতঃপর অধিদফতর হতে ১৫ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হয় । সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই পূর্বক মনোনিত বেসরকারি এতিমখানার বিপরীতে বরাদ্দপত্র অধিদফতর বরাবর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রেরণ করা হয়। অধিদফতর কর্তৃক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দপত্র প্রেরণ করা হয়। প্রাপ্ত বরাদ্দের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট অফিসারের নিকট বিল দাখিল করলে যাচাই বাছাইপূর্বক উক্ত বিল পাশ করে তা উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার কর্তৃত বিল পাশ করে উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের দাপ্তরিক হিসেবে জমা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সংশ্লিষ্ট এতিমখানার সভাপতি/ সম্পাদকের অনুকূলে ক্রস চেকের মাধ্যমে ক্যাপিটেশন গ্রান্ট হস্তান্তর করেন।

কার্যাবলি:

এতিমখানা তৈরী ও স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুযায়ী নিবন্ধন;

নির্ধারতি ফরমে উপজেলা সমাজসেবা/শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে অবেদন;

সিভিল সার্জন বা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদকারী এতিম শিশুর বয়স ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা যাচাই;

ভর্তি কমিটি কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদন;

বিনামূল্যে এতিম শিশু ভর্তি;

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ক্যাপিটেশন গ্রান্ট প্রাপ্তির জন্য আবেদন;

সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তার কর্তৃক এতিমখানা জরিপ, প্রতিবেদন পরিদর্শন ও সুপারিশসহ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে প্রেরণ;

উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবার সুপারিশসহ অধিদফতরে প্রেরণ;

অধিদফতর হতে মন্ত্রণালয়ের ক্যাপিটেশন গ্রান্ট বরাদ্দ কমিটিতে সুপারিশ প্রেরণ;

ক্যাপিটেশন গ্রান্ট বরাদ্দ কমিটির কর্তৃক বরাদ্দ প্রদান/ আবেদন খারিজ/ পূর্বতন বরাদ্দ পরিবর্তন/ পরিবর্ধন;

এতিম শিশুদের ভরণপোষণ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং উপযুক্ত মর্যাদায় সমাজে পুনর্বাসন।

নাগরিকদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্র:

বেসরকারি এতিমখানার পরিচালনায় কোন ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা;

যাকাত, ফিতরা, দানসহ ইত্যাদি আর্থিক সহায়তা করা;

শিশুদের শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে যে কোন সহযোগিতা;

শিশুর পুনর্বাসনে আর্থিক ভাবে, চাকুরী প্রদান মাধ্যমে বা তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করা;

শিশুদের প্রতি সহমর্মি আচরণ করা;

শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে যে কোন ধরণের সহযোগিতা।

সেবা প্রদানের সময়সীমা:

বেসরকারি এতিমখানা কর্তৃক ক্যাপিটেশন গ্রান্টের আবেদন প্রাপ্তির পর ৭ মাস।

যার সাথে যোগাযোগ করতে হবে:

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, সকল উপজেলা

শহর সমাজসেবা কার্যালয় (সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পর্যায়ের পৌরসভার ক্ষেত্রে)

 

৮. বয়স্ক ভাতা;

প্রার্থী নির্বাচনের মানদন্ড:

(ক) নাগরিকত্ব: প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।

(খ) বয়স: সর্বোচ্চ বয়স্ক ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।

(গ) স্বাস্থ্যগত অবস্থা: যিনি শারীরিকভাবে অক্ষম অর্থাৎ সম্পূর্ণরূপে কর্মক্ষমতাহীন তাঁকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। 

(ঘ) আর্থ-সামাজিক অবস্থা:  

(১)  আর্থিক অবস্থার ক্ষেত্রে: নিঃস্ব, উদ্বাস্ত্ত ও ভূমিহীনকে ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

(২) সামাজিক অবস্থার ক্ষেত্রে: বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, বিপত্নীক, নিঃসন্তান, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদেরকে ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

(ঙ) ভূমির মালিকানা: ভূমিহীন ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এক্ষেত্রে বসতবাড়ী ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জমির পরিমাণ ০.৫ একর বা তার কম হলে তিনি ভূমিহীন বলে গণ্য হবেন।

ভাতা প্রাপ্তির যোগ্যতা ও শর্তাবলী:

(১) সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে;

(২) জন্ম নিবন্ধন/জাতীয় পরিচিতি নম্বর থাকতে হবে;

(৩) বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর  হতে হবে।

সরকার কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত বয়স বিবেচনায় নিতে হবে; 

(৪) প্রার্থীর বার্ষিক গড় আয় অনূর্ধ ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা হতে হবে;

(৫) বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে।

বিঃ দ্রঃ বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন সনদ, এসএসসি/সমমান পরীক্ষার সনদপত্র বিবেচনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোন বিতর্ক দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত     চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

ভাতা প্রাপ্তির অযোগ্যতা:

(১) সরকারি কর্মচারী পেনশনভোগী হলে;

(২) দুঃস্থ মহিলা হিসেবে ভিজিডি কার্ডধারী হলে;

(৩) অন্য কোনোভাবে নিয়মিত সরকারী অনুদান/ভাতা প্রাপ্ত হলে;

(৪) কোনো বেসরকারি সংস্থা/সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হতে নিয়মিতভাবে আর্থিক অনুদান/ভাতা প্রাপ্ত হলে।

 

৯. বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুস্থ মহিলা ভাতা;

প্রার্থী নির্বাচনের মানদন্ড:

(ক) নাগরিকত্ব: প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।

(খ) বয়স: বয়স অবস্যই ১৮ (আঠার) বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবে। তবে সর্বোচ্চ বয়স্ক মহিলাকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।

(গ) স্বাস্থ্যগত অবস্থা: যিনি শারীরিকভাবে অক্ষম অর্থাৎ সম্পূর্ণরূপে কর্মক্ষমতাহীন তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

(ঘ) আর্থ-সামাজিক অবস্থা :

(১) আর্থিক অবস্থার ক্ষেত্রে: নিঃস্ব, উদ্বাস্ত্ত ও ভূমিহীনকে ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

(২) সামাজিক অবস্থার ক্ষেত্রে: নিঃসমত্মান, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদেরকে ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

(ঙ)  ভূমির মালিকানা: ভূমিহীন প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বসতবাড়ী ব্যতিত কোন ব্যক্তির জমির পরিমাণ ০.৫ একর বা তার কম

       হলে তিনি ভূমিহীন বলে গণ্য হবেন।

ভাতা প্রাপকের যোগ্যতা ও শর্তাবলী:

১.     সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে;

২.     জন্ম নিবন্ধন/জাতীয় পরিচিতি নম্বর থাকতে হবে;

৩.    বয়ঃবৃদ্ধা অসহায় ও দুঃস্থ বিধবা বা স্বামী নিগৃহীতা মহিলাকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে;

৪.     যিনি দুঃস্থ, অসহায়, প্রায় ভূমিহীন, বিধবা বা স্বামী নিগৃহীতা এবং যার ১৬ বছর বয়সের নীচে ২টি সন্তন রয়েছে, তিনি ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে

       অগ্রাধিকার পাবেন;

৫.    দুঃস্থ, দরিদ্র, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতাদের মধ্যে যারা প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ তারা ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন;

৬.    প্রার্থীর বার্ষিক গড় আয়ঃ অনূর্ধ ১২,০০০ (বার হাজার) টাকা হতে হবে;

৭.     বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে।

 

১০. অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা;

প্রার্থী নির্বাচনের মানদন্ড:

১. আবেদনকারীকে অবশ্যই প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ এর সংজ্ঞানুযায়ী প্রতিবন্ধী হতে হবে;

২. বাছাইকালে আবেদনকারীর আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় আনতে হবে;

৩. ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে বৃদ্ধ/বৃদ্ধা প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে;

৪. ভূমিহীন ও গৃহহীন প্রতিবন্ধীগণ ভাতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার লাভ করবে;

৫. নারী প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে;

৬. বহুমাত্রিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিতে হবে;

৭. নতুন ভাতাভোগী মনোনয়নে অধিকতর দারিদ্রপীড়িত ও অপেক্ষাকৃত পশ্চাদপদ বা দূরবর্তী এলাকাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

৮. চিকিৎসার লক্ষ্যে গরীব মানসিক/অটিস্টিক প্রতিবন্ধী শিশু (বয়স শিথিলযোগ্য) এবং সম্পূর্ণ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ভাতা প্রাপকের যোগ্যতা ও শর্তাবলী:

১. সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে;

২. প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ অনুযায়ী  সমাজসেবা কার্যালয় হতে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র গ্রহণ করতে হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যে

    জেলার স্থায়ী বাসিন্দা সে জেলা হতে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র গ্রহণ করবেন;

৩. মাথাপিছু বার্ষিক আয় ৩৬,০০০ (ছত্রিশ হাজার) টাকার উর্ধে  নয় এমন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিগণ;

৪. আবেদনকারীকে অবশ্যই দুঃস্থ প্রতিবন্ধী হতে হবে;

৫. ৬ (ছয়) বছরের উর্ধে সকল ধরণের প্রতিবন্ধীকে ভাতা প্রদানের জন্য বিবেচনায় নিতে হবে;

৬. বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে।

ভাতা প্রাপ্তির অযোগ্যতা:

১. সরকারি কর্মচারী হলে কিংবা সরকারি কর্মচারী হিসেবে পেনশনভোগী হলে;

২. অন্য কোনভাবে নিয়মিত সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত হলে;

৩. কোন বেসরকারি সংস্থা/সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হতে নিয়মিতভাবে আর্থিক অনুদানপ্রাপ্ত হলে।

 

১১. প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি;

সেবার নাম:

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি

সেবা প্রদানকারী অফিসের নাম:

উপজেলা/শহর সমাজসেবা অফিস (সকল)

 

দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী:

১. উপজেলা / শহর সমাজসেবা অফিসার

২. ফিল্ড সুপারভাইজার

৩. ইউনিয়ন /পৌর সমাজকর্মী

৪. কারিগরি প্রশিক্ষক

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে):

জরিপভুক্ত শনাক্তকৃত ও সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক নিবন্ধিত এবং সরকার কর্তৃকস্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী যাদের পারিবারিক বার্ষিক গড় আয় সর্বোচ্চ ৩৬,০০০/-  তারা  নির্ধারিত ফরমে উপজেলা / শহর সমাজসেবা অফিসার বরাবরে আবেদন করতে হয়। নীতিমালা অনুসারে যাচাই বাছাই করার পর প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তিভোগী নির্বাচন করা হয় । অত:পর নির্বাচিত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা অভিভাবককে অবহিত করে বৈধ অভিভাবকের নামে উপবৃত্তির অর্থ উত্তোলনের ব্যাংক হিসাব খোলা হয়। উপবৃত্তির টাকা বিতরণের স্থান, তারিখ সময় নির্ধারণ করে  উপবৃত্তি প্রাপ্ত প্রতিবন্ধী শিক্ষর্থী তার পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অবহিত করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উপবৃত্তি বিতরণ করা হয়।

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময়:

নতুন বরাদ্দ প্রাপ্তির ০৩ মাসের মধ্যে ভাতাভোগী নির্বাচন করা হয় ।

নিয়মিত ভাতাভোগীর হিসাবে ০৭ দিনের মধ্যে ভাতা স্থানান্তর করা হয় ।

 

প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/আনুষঙ্গিক খরচ:

১০/- টাকা দিয়ে নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে হয়

সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি/ নীতিমালা:

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০১৩

 

নির্দিষ্টসেবা পেতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

১. চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ / উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সংশ্লিষ্ট উপজেলা)

২. উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় (সংশ্লিষ্ট জেলা)

৩. চেয়ারম্যান, পার্বত্য জেলা / জেলা প্রশাসক (সংশ্লিষ্ট জেলা)

৪. পরিচালক (কার্যক্রম), সমাজসেবা অধিদফতর

 

১২. প্রবেশন এন্ড আফটার কেয়ার সার্ভিসেস;

কিভাবে প্রবেশনের সুযোগ পাওয়া যায়?

প্রবেশন মঞ্জুর করা মূলতঃ বিজ্ঞ আদালতের একটি স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা।

প্রবেশন ব্যবস্থায় বিচার কার্যের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যখন আইনের দৃষ্টিতে দোষী সাব্যস্থ হওয়ার উপক্রম হয় কিংবা ব্যক্তি যদি দোষ স্বীকার করে তখন বিজ্ঞ আদালতের কাছে প্রবেশনের সুযোগ পাওয়ার জন্য আদালতের গোচরিভূত করা যায়।

আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন যে, আইনের অধীনে প্রবেশন আদেশের শর্তাবলী পালনে অঙ্গীকারাবদ্ধ করে অপরাধী তার সংশোধন ও পুনর্বাসনে উপকৃত হতে পারে, তখন আদালতে নিয়োজিত প্রবেশন অফিসারকে অপরাধীর চরিত্র, প্রাক বংশ পরিচয়, পারিবারিক পারিপাশ্বিক ও তথ্যাদি বা অবস্থাদি তদন্ত করে একটি প্রাক দন্ডাদেশ প্রতিবেদন আদালতের নিকট দাখিল করার অনুরোধ করেন।

তদন্তে প্রবেশন অফিসার যদি বুঝতে পারেন যে, অপরাধীর প্রবেশনের বা সমাজ ভিত্তিক সংশোধনের সুযোগ রয়েছে তা হলে তিনি প্রবেশনের সুপারিশ করেন। অন্যথায় অপরাধীকে শান্তি পেতে হয়।

বিজ্ঞ আদালত মামলার কাগজপত্র ও সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে  স্ব-উদ্যোগেও প্রবেশন মঞ্জুর করতে পারেন।

সেবাদান কেন্দ্র

 

  • প্রবেশন অফিস, সংশ্লিষ্ট জেলা (জেলা শহরে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়/জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে অবস্থিত)
  • প্রবেশন অফিস, সিএমএম কোর্ট, ঢাকা
  • প্রবেশন অফিসার (শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রসমূহ)
  • উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় (সকল উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, প্রবেশন অফিসারের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত)

সেবা:

  • প্রবেশন অফেন্ডার্স অব এ্যাক্ট ১৯৬০ মোতাবেক প্রথম লঘু অপরাধ বা লঘু অপরাধে দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদান;
  • শিশু আইন ২০১৩ মোতাবেক লঘু অপরাধী শিশুদের কারাগারে না রেখে প্রবেশন অফিসারের তত্ত্বাবধানে কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে শিশুর মানসিকতার উন্নয়ন;
  • কারবন্দী ব্যক্তিদের শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান;
  • কারাবন্দী ব্যক্তিদের জন্য বিনোদনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা;
  • কারাগারে আটক শিশুদের মুক্তি/উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তরে সহায়তা প্রদান;
  • কারামুক্ত কয়েদীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পুনর্বাসন।

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে):

১. প্রবেশন এন্ড অফেন্ডার্স অডিনেন্স ১৯৬০ (সংশোধিত ১৯৬৪) এর ৫ ধারা মোতাবেক সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক যে কোন বয়সের প্রথমবার ও লঘু অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি অথবা অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে দোষ স্বীকার করলে আদালত দন্ড স্থগিত রেখে প্রবেশন অফিসারের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট মেয়াদে পরিবার বা সমাজে রেখে সংশোধন ও আত্মশুদ্ধির সুযোগ প্রদান করা হয় ।

২. শিশু আইন ২০১৩ এর ধারা ৩৪ উপ-ধারা ৬ মোতাবেক শিশুদের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার পরিবর্তে সদাচরণের জন্য শিশু আদালতের

    আদেশক্রমে প্রবেশন সেবা প্রদান করা হয় ।

৩. কারাগারে আটক সাজাপ্রাপ্ত নারীদের বিশেষ সুবিধা আইন ২০০৬ এর আওতায় কারাগারে আটক সাজাপ্রাপ্ত নারীদের  শর্ত স্বাপেক্ষে মুক্তির ব্যবস্থা

     করা হয় ।

৪. মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদিদের এবং শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত শিশুদের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষতার উন্নয়ন ঘটিয়ে / সমাজসেবা

    অধিদফতরের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় এনে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পুনর্বাসন করা হয়

সেবা প্রদানের সময়সীমা:

  • আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা
  • অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতি/প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির অনুমোদন প্রাপ্তির পর ১০ কর্মদিবসের মধ্যে

কার্যাবলি:

প্রবেশন:

  • বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত লঘু অপরাধী/১ম অপরাধী কর্তৃক অবেদন;
  • বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক প্রবেশন অফিসারকে অপরাধী সম্পর্কে প্রাকদন্ডাদেশ প্রতিবেদন প্রদানের আদেশ;
  • প্রবেশন অফিসার কর্তৃক প্রাকদন্ডাদেশ প্রতিবেদন দাখিল;
  • বিজ্ঞ অদালত কর্তৃক প্রবেশন মঞ্জুরী (অপরাধী কর্তৃক বন্ড সহি প্রদান সাপেক্ষে);
  • প্রবেশন মেয়াদে অপরাধীকে কাউন্সেলিং, মনিটরিংসহ তার উন্নয়নের বিষয়ে সার্বিক সহায়তা প্রদান;
  • প্রবেশন অফিসার কর্তৃক নিয়মিত আদালতে প্রতিবেদন দাখিল;
  • প্রবেশন মেয়াদান্তে প্রবেশন অফিসারের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত কর্তৃক প্রবেশনারকে মুক্তি প্রদান/কারাগারে প্রেরণ।

আফটার কেয়ার:

  • প্রবেশন অফিসারের নিকট আবেদন
  • অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতি অনুমোদন সাপেক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান
  • অথবা উপজেলা/শহর সমাজসেবা অফিসারের নিকট সুপারিশসহ অবেদনপত্রটি প্রেরণ
  • উপজেলা/শহর সমাজসেবা অফিস কর্তৃক সুদমুক্ত ঋণ কার্যক্রমের অওতায় সহায়তা প্রদান

সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি/ নীতিমালা:

১. প্রবেশন অব অফেন্ডার্স অর্ডিনেন্স ১৯৬০ (সংশোধিত ১৯৬৪)

২. কারাগারে আটক সাজাপ্রাপ্ত নারীদের বিশেষ সুবিধা আইন, ২০০৬ 

শিশু আইন, ২০১৩

প্রবেশন অব অফেন্ডার্স রুলস,  ১৯৭১

নাগরিকদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্র:

  • প্রবশন কার্যক্রম পরিচালনায় কোন ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা;
  • কয়েদীদের শিক্ষা, বৃত্তিমূলক ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদানে সহায়তা;
  • কয়েদী পুনর্বাসন সমিতিতে আর্থিক সাহায্য প্রদান;
  • কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে মানসিকতার উন্নয়নে সহায়তা;
  • মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদী/ প্রবেশনাদের কর্মসংস্থানে সহায়তা;
  • মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদী/ প্রবেশনাদের আত্মীয়-স্বজনকে খুজে বের করায় সহায়তা;
  • মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদী/ প্রবেশনাদের সমাজে পুনর্বাসনে সহায়তা।

সাথে যোগাযোগ করতে হবে:

  • সংশ্লিষ্ট প্রবেশন অফিসার

 

১৩. চিকিৎসা সমাজসেবা কর্মসূচি :

সেবা:

  • হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা প্রাপ্তিতে সহায়তা
  • বিনামূল্যে ঔষধ, সহায়ক যন্ত্রপাতি, কৃত্রিম অঙ্গ, বিভিন্ন চিকিৎসা সমাগী ও পথ্য সরবরাহ বা এসব সংগ্রহের জন্য নগদ আর্থিক সহায়তা
  • পরিধেয় পোষাক প্রদান
  • রক্ত সরবরাহ বা ক্রয়ে নগদ অর্থ সহায়তা
  • পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ
  • অবাঞ্ছিত শিশু পুনর্বাসন
  • রোগের কারণে পরিবারে অবাঞ্ছিত রোগীদের পরিবারে পুনর্বাসন
  • হাসপাতাল/চিকিৎসা কেন্দ্র স্থানান্তরে সহায়তা
  • রোগীদের স্বাস্থ্যসচেতনা/ প্রথমিক চিকিৎসা বিষয়ে অবহিতকরণ
  • গুরুতর অসুস্থতা, অপারেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে মানসিক বিপযস্ত রোগী বা রোগীর
  • রোগীর সাথে পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা
  • স্বজনদের কাউন্সেলিং প্রদানের মাধ্যমে মনোবল বৃদ্ধি সহায়তা
  • নাম পরিচয় বিহীন দরিদ্র মৃত ব্যক্তির সৎকারের ব্যবস্থা করা
  • রোগ মুক্তির পর নগদ আর্থিক সহায়তা

সেবাদান কেন্দ্র:

 কার্যাবলি:

  • দরিদ্র ও অসহায় রোগী চিহ্নিতকরণ
  • রোগীর চাহিদা নিরূপন
  • রোগী চাহিদা অনুযায়ী সহায়তা প্রদান
  • চিকিৎসককে রোগী সম্পর্কে তথ্য প্রদান;
  • রোগীর যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ, কেইস ওয়ার্ক তৈরী ও সংরক্ষণ;
  • রোগীদের চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করা;
  • রোগী কল্যাণ সমিতি পরিচালনা;
  • রোগী কল্যাণ সমিতি পরিচালনার জন্য অর্থ সংগ্রহ

নাগরিকদের সহযোগিতার ক্ষেত্র:

  • দরিদ্র রোগী সম্পর্কে হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ে অবহিতকরণ;
  • কার্যক্রম পরিচালনায় কোন ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা;
  • রোগী কল্যাণ সমিতিতে যাকাত, ফিতরা, দানসহ ইত্যাদি আর্থিক সহায়তা করা;
  • রোগীদের প্রতি প্রতি সহমর্মি আচরণ করা;

সেবা প্রদানের সময়সীমা:

রোগী চিহ্নিত হওয়া বা রোগী আবেদন করার পর তাৎক্ষণিক ভাবে।

যার সাথে যোগাযোগ করতে হবে

 

১৪. স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা  :

সেবা প্রদানের সময়সীমা:

  • নিবন্ধন- প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদিসহ আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর ২০ কর্ম দিবস।
  • নামের ছাড়পত্র- প্রয়োজনিয় কাগজপত্রাদিসহ আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর ২ কর্ম দিবস
  • কার্যকরী কমিটি অনুমোদন- প্রয়োজনিয় কাগজপত্রাদিসহ আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর ১০ কর্ম দিবস;
  • কার্য এলাকা সম্প্রসারণ- প্রয়োজনিয় কাগজপত্রাদিসহ আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর ৩০ কর্ম দিবস;
  • অভিযোগ নিস্পত্তি- অভিযোগ প্রাপ্তির পর ৩০ কর্ম দিবস;

যার সাথে যোগাযোগ করতে হবে:

  • সংশ্লিষ্ট উপজেলা সমাজসেবা অফিসার;
  • উপপরিচালক, সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, সমাজসেবা অধিদফতর;

 

১৫. প্রতিবন্ধীতা শনাক্তকরণ কর্মসূচি :

  • প্রতিবন্ধিতা জীববৈচিত্রের একটি অংশ। সব প্রতিবন্ধিতা দৃশ্যমান নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধিতা দীর্ঘস্থায়ীও নয়। বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অস্থায়ী প্রতিবন্ধিতা দেখা যায়। বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিবন্ধীব্যক্তি রয়েছে মর্মে ধারণা করা হয়। প্রতিবন্ধীব্যক্তিবর্গের মধ্যে বেশিরভাগই দারিদ্র্যের শিকার তথা নিম্নআয়ভুক্ত বলে বিভিন্ন গবেষণায় এতৎসংক্রান্ত তথ্য লক্ষ্য করা যায়। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য নিরসন ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের দাবী। দারিদ্র্য নিরসন ও জীবনমান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন তাদের উপযোগী চিকিৎসা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদানে লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পিত কার্যক্রম গ্রহণ। এই লক্ষ্যে প্রতিবন্ধিতার ধরন চিহ্নিতকরণ, মাত্রা নিরূপণ ও কারণ নির্দিষ্টপূর্বক প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী’র সঠিক পরিসংখ্যান নির্ণয়ের নিমিত্ত দেশব্যাপী ‘প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপ কর্মসূচি’ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপ কর্মসূচি একটি চলমান কার্যক্রম। যে সকল প্রতিবন্ধি ব্যক্তি এখনও প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপের আওতাভুক্ত হননি, তারা নিম্নোক্ত লিংকে প্রবেশ করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। https://www.dis.gov.bd/bn/

 

১৬. ক্যান্সার,কিডনী, লিভার সিরোসিস,স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও  জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি :

  • ক. আবেদনকারী/রোগীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে; সর্বোচ্চ দুস্থ ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে; আর্থিক অবস্থার ক্ষেত্রে: শিশু, নিঃস্ব, উদ্বাস্তু ও ভূমিহীনকে ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দেয়া হবে; সামাজিক অবস্থার ক্ষেত্রে: বয়োজ্যেষ্ঠ, বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, বিপত্নীক, নিঃসস্তান, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদেরকে ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দেয়া হবে; প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভূমিহীন প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে; এ ক্ষেত্রে বসতবাড়ী ব্যতীত কোন ব্যক্তির জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার কম হলে তিনি ভূমিহীন বলে গণ্য হবেন।
  • খ. আবেদনের সাথে নিম্নবর্ণিত প্রত্যয়ন পত্র, ব্যবস্থাপত্র/টেস্ট রিপোর্ট ও তথ্যাদি সংযুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ আবেদন অবশ্যই সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে:
  • ১. নির্ধারিত ফরমে রেজিস্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক প্রদেয় সংশ্লিষ্ট রোগের প্রত্যয়ন পত্রের মূলকপি সংযুক্ত করতে হবে;
  • ২. ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট রোগের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নিম্নবর্ণিত ব্যবস্থাপত্র ও টেস্ট রিপোর্ট আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে:
  • ২. ১. ক্যান্সার রোগের ক্ষেত্রে Histopathology /Cytopahtology/Bone Marrow Report বা অন্যান্য টেস্ট রিপোর্ট;
  • ২. ২. কিডনী রোগের ক্ষেত্রে Acute Renal Failure অথবা Chronic Renal Failure এ আক্রান্ত ডায়ালাইসিস সেবা নিচ্ছে, কিডনী প্রতিস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে অথবা কিডনী প্রতিস্থাপন করেছে এমন রোগীদেরকে প্রযোজ্য রিপোর্ট এবং রক্তে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনের মাত্রার রিপোর্ট;
  • ২. ৩. লিভার সিরোসিস রোগের ক্ষেত্রে লিভারের আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট;
  • ২. ৪. ষ্ট্রোকে প্যারালাইজড আক্রান্ত রোগীকে নিউরোলজিষ্ট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে হবে এবং MRI/CT Scan Report রিপোর্ট;
  • ২. ৫. জন্মগত হৃদরোগের ক্ষেত্রে Echo Cardiogram রিপোর্ট;
  • ৩. রোগীর জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদের ১ম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত ফটোকপি এবং সদ্য তোলা ৩কপি সত্যায়িত ফটো;
  • ৪. রোগীর বয়স আবেদনের তারিখে ১৮ বছরের কম/ মূমূর্ষ অবস্থায় থাকলে তার বৈধ অভিভাবক আবেদন করতে পারবেন, সেক্ষেত্রে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ১ম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত ফটোকপি; এবং সদ্য তোলা ৩কপি সত্যায়িত ফটো। 
  • অনলাইনে আবেদন করুন: www.welfaregrant.gov.bd; আবেদন ফরম (pdf) (আবেদন ফরমসহ আনুসাঙ্গিক কাগজপত্র ও প্রত্যয়ন পত্র পূরণ করে ০২(দুই) কপি নিজ নিজ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য, বছরের যে কোন সময়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়গুলোতে আবেদন জমা দেয়া যাবে। সমাজসেবা অধিদফতরে সরাসরি আবেদন প্রেরণের সুযোগ নেই।

 

১৭. হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি :

সেবা প্রাপ্তির স্থান/অফিসের নাম: উপজেলা/শহর সমাজসেবা অফিস

দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী: উপজেলা/শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে):

বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে উপজেলা/শহর  সমাজসেবা অফিসার বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেন অত:পর নির্ধারিত ফরমে আগ্রহী ব্যক্তিদের সমাজসেবা অফিসার বরাবর আবেদন করতে হয় । প্রাপ্ত আবেদন ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে প্রস্তাব আকারে উপজেলা কমিটিতে প্রেরণ করে। অত:পর উপজেলা কমিটি  যাচাই বাছাই করে বরাদ্দ অনুসারে উপকারভোগী নির্বাচন করে। নির্বাচিত ব্যক্তির নামে ব্যাংক হিসাব খোলা এবং কেন্দ্রীয় হিসাব হতে ভাতা বা উপবৃত্তির টাকা স্থানান্তর করে নির্বাচিত ব্যক্তিকে অবহিতকরণ পূর্বক ভাতা বা উপবৃত্তি বিতরণ সম্পন্ন করা হয় । ১৮ বছর বয়সের উর্ধ্ব কর্মক্ষম ব্যক্তিদেরকে ট্রেড ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয় । প্রশিক্ষণার্থীদেরকে প্রশিক্ষণোত্তর অফেরতযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময়:

. নতুন বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আবেদনের ০৩ মাসের মধ্যে;

. পুরাতন বা নিয়মিতদের ক্ষেত্রে ০৭ কর্মদিবস

প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/আনুষঙ্গিক খরচ:  বিনামূল্যে

সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি/ নীতিমালা:

  • বিশেষ ভাতা ৬০০/- মাসিক
  • উপবৃত্তি :
  • প্রাথমিক-৩০০/-
  • মাধ্যমিক-৪৫০/-
  • উচ্চ মাধ্যমিক-৬০০/-
  • স্নাতক বা স্নাতকোত্তর-১০০০/-
  • প্রশিক্ষণ :
  • প্রশিক্ষণার্থীদের আর্থিক সহায়তা ১০,০০০/- (ন্যূনতম) (অফেরতযোগ্য)
  • হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি নীতিমালা ২০১৩

নির্দিষ্টসেবা পেতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা :

১. চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ

২. জেলা প্রশাসক, সিটি করপেরেশন / পৌরসভার ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা / আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা

৩. কর্মসূচি পরিচালক

 

১৮. বেদে, দলিত ও হরিজন সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি :

সেবা প্রাপ্তির স্থান/অফিসের নাম:

উপজেলা/শহর সমাজসেবা অফিস

দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী:

উপজেলা / শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে):

বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে উপজেলা / শহর  সমাজসেবা অফিসার বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেন। অত:পর নির্ধারিত ফরমে আগ্রহী ব্যক্তিদের সমাজসেবা অফিসার বরাবর আবেদন করতে হয় । প্রাপ্ত আবেদন ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে প্রস্তাব আকারে উপজেলা কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। অত:পর উপজেলা কমিটি  যাচাই বাছাই করে বরাদ্দ অনুসারে উপকারভোগী নির্বাচন করে। নির্বাচিত ব্যক্তির নামে ব্যাংক হিসাব খোলা এবং কেন্দ্রীয় হিসাব হতে ভাতা বা উপবৃত্তির টাকা স্থানান্তর করে নির্বাচিত ব্যক্তিকে অবহিতকরণপূর্বক ভাতা বা উপবৃত্তি বিতরণ সম্পন্ন করা হয় ।

১৮ বছর বয়সের উর্ধ্ব কর্মক্ষম ব্যক্তিদেরকে ট্রেড ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয় । প্রশিক্ষণার্থীদেরকে প্রশিক্ষণোত্তর অফেরতযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময়:

নতুন বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আবেদনের ০৩ মাসের মধ্যে;

পুরাতন বা নিয়মিতদের ক্ষেত্রে ০৭ কর্মদিবস

প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/আনুষঙ্গিক খরচ:

বিনামূল্যে

সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি/ নীতিমালা:

বিশেষ ভাতা ৫০০/- মাসিক

উপবৃত্তি :

প্রাথমিক-৩০০/-

মাধ্যমিক-৪৫০/-

উচ্চ মাধ্যমিক-৬০০/-

স্নাতক বা স্নাতকোত্তর-১০০০/-

প্রশিক্ষণ;

প্রশিক্ষণার্থীদের আর্থিক সহায়তা ১০,০০০/- (অফেরতযোগ্য)

দলিত, হরিজন ও বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি নীতিমালা ২০১৩

নির্দিষ্ট সেবা পেতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা:

১. চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ (সংশ্লিষ্ট উপজেলা)

২. জেলা প্রশাসক (সংশ্লিষ্ট জেলা) বা সিটিকরপেরেশন / পৌরসভার ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা / আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (সংশ্লিষ্ট প্রশাসন)

৩. কর্মসূচি পরিচালক

 

১৯. চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি  :

প্রার্থী নির্বাচনের মানদন্ড:

(ক) নাগরিকত্ব: প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

(খ) দুঃস্থ: সর্বোচ্চ দুঃস্থ ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।

(গ) লিঙ্গ: নারী শ্রমিককে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।

(ঘ) আর্থ-সামাজিক অবস্থা:

১. আর্থিক অবস্থার ক্ষেত্রে: নিঃস্ব, উদ্বাস্ত্ত ও ভূমিহীনকে ক্রমানুসারে অগ্রধিকার দিতে হবে।

২.সামাজিক অবস্থার ক্ষেত্রে: চা-শ্রমিকদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ, বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, বিপত্নীক, নিঃসসত্মান, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদেরকে  

    ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

(ঙ) ভূমির মালিকানা: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভূমিহীন প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বসতবাড়ী ব্যতিত কোন ব্যক্তির জমির পরিমাণ ০.৫০ একর

      বা তার কম হলে তিনি ভূমিহীন বলে গণ্য হবেন।

খাদ্য সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা ও শর্তাবলী:

১. সংশ্লিষ্ট চা বাগানে কর্মরত চা-শ্রমিক হতে হবে;

২. জন্ম নিবন্ধন/জাতীয় পরিচিতি নম্বর থাকতে হবে;

৩. চা বাগান নিয়ন্ত্রনকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র থাকতে হবে;

৪. সর্বনিম্ন ১৮ বছর বয়স হতে হবে;

৫. প্রার্থীর বার্ষিক গড় আয়: অনূর্ধ্ব ৩৬,০০০ (ছত্রিশ হাজার) টাকা হতে হবে;

৬. বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে। 

প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া:

১. সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন/পৌর সমাজকর্মী  চা বাগান কর্তৃপক্ষের সহায়তায় খাদ্য সহায়তা প্রাপ্তির জন্য আবেদনের ভিত্তিতে চা-শ্রমিকদের প্রাথমিক তালিকা (তালিকা-১) প্রস্তুত করে উপজেলা কমিটিতে পেশ করেন।

২. উক্ত তালিকা-১ এবং প্রাপ্ত আবেদনসমূহ উপজেলা কমিটি আবেদনপত্রসমূহ যাচাই বাছাই করে নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত চা-শ্রমিকদের তালিকা (তালিকা-২) চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জেলা কমিটিতে প্রেরণ করে। জেলা কমিটি কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদিত তালিকা অনযায়ী স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যের সম্মতিক্রমে উপজেলা/শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

 

২০. ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান শীর্ষক কর্মসূচি :

কর্মসূচির পাইলটিং পর্যায়ে পুনর্বাসন কার্যক্রমের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ঢাকা শহরের ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে সফলতা অর্জন ব্যতীত কর্মসূচির সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। বিষয়টি মাথায় রেখে প্রাথমিকভাবে ঢাকা শহরের বিমানবন্দর এলাকা, হোটেল সোনারগাঁও, হোটেল রূপসী বাংলা, হোটেল রেডিসন, বেইলীরোড, কূটনৈতিক জোন ও দূতাবাস এলাকাসমূহকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করার নীতিগত সিদ্ধামত্ম গৃহীত হয় এবং সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে এসব এলাকাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ভিক্ষুকমুক্ত এলাকার আওতা আরও বৃদ্ধি করা হবে।

ভিক্ষুকমুক্ত হিসেবে ঘোষিত এলাকাসমূহে নির্দিষ্ট সময় অন্তর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রাপ্ত ভিক্ষুকদেরকে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানে থাকাকালীন তাদেরকে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ এবং পুনর্বাসন করা হয়। ০৪/০৬/২০১৬ তারিখে ২০০ জন ভিক্ষুকের অংশগ্রহনে দিনব্যাপী সমাজসেবা অধিদফতর মিলনায়তনে ভিক্ষাবুত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর ‘‘পুনর্বাসন চাহিদা নিরূপন’’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের (যেমন পুলিশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, সিটি কর্পোরেশন, এনজিও, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার  সাংবাদিক) প্রতিনিধিগণ উপস্থিত থেকে তাদের মতামত প্রদান করেন। তাদের প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রস্ত্ততপূর্বক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করা হয়।  ঢাকা শহরের ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষিত এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি না করার জন্য ২/১ দিন পরপর নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।

বর্তমান অর্থ বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক বিমানবন্দর সড়ক হতে শাহবাগ পর্যন্ত ভিআইপি রাস্তা ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষনা করার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter